ইতিপূর্বে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত হয়েছে যে গর্ভধারণের জন্য স্বামী যেমন বীর্যপাত অবশ্যক, তেমনিভাবে স্ত্রীর বীর্যপাতও জরুরী। বীর্যপাত না হলে পুরুষ যেমন কষ্ট পেয়ে থাকে, ঠিক মহিলারাও তেমনি কষ্ট অনুভব করে থাকে।
সাধারণতঃ পুরুষের বীর্যপাত মহিলার তুলনায় আগে হয়ে থাকে। এর কারণ হলো, পুরুষের মেজাজ গরম। অন্যদিকে মহিলাদের মেজাজ পুরুষদের তুলনায় ঠান্ডা ও নরম।
সুতরাং মহিলাদের দ্রুত বীর্যপাত ঘটানোর উত্তম পদ্ধতি হলো, প্রত্যেক সহবাসের পূর্বে তাকে চুম্বনে চুম্বনে পাগলীনি বানিয়ে ফেলবে, আলিঙ্গন করবে, স্তনের বোটা নাড়াচাড়া করবে, মিষ্টি মিষ্টি কথা বলবে। সুঁড়সুঁড়ি, স্তন মর্দন, মলামলি অতিরিক্ত পরিমাণে করবে। মাঝে মাঝে তার দিকে কামনায় ভরপুর এরূপ ভাব নিয়ে তাকিয়ে থাকবে। এরূপ করলে স্ত্রীর উত্তেজনায় উত্তাল খেলতে শুরু করে। একসময় সে নিজেই তার ভাব-ভঙ্গিমা দ্বারা বোঝাবে আমি আর সইতে পারছি না। আমাকে কিছু একটা কর। আমাকে ছিড়ে ছিড়ে টুকুরা টুকুরা করে খেয়ে ফেল। এরূপ অবস্থা দেখতে পেলে বুঝবে যে সে রখন আহত বাঘিনী হয়ে গেছে। অতঃপর সহবাসে লিপ্ত হবে। তখন কিছুক্ষণ সময় সহবাস করলেই দেখা যায় যে, স্ত্রীর বীর্যপাত হয়ে গেছে।
তবে এক্ষেত্রে স্বামী নিজেকে সংযত রাখবে। আর যদি নিজেই অধিক উত্তেজিত হয়ে যায়, তাহলে সামান্য সময়ের মধ্যেই নিজেকে নিস্তেজ হয়ে যাবে। স্ত্রীর বীর্যপাত হবে এমন মুহুর্তে স্বামী অকেজো হলে স্ত্রীর জন্য এটা সীমাহীন কষ্টকর যা কারো কাছে ব্যক্ত করা সম্ভব হয় না। স্বামীকে কাঁচা চিবিয়ে খেয়ে ফেললেও হয়তো তাদের মনের জ্বালা কিছুই কম হবে না।
ConversionConversion EmoticonEmoticon